Breaking News

বহুদিন পর সৌদি প্রবাসীদের জন্য এল ভালো খবর |

বহুদিন পর সৌদি প্রবাসীদের জন্য এল ভালো খবর | বিস্তারিত নিচের ভিডিওতে দেখুন

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সাধারণ শ্রমিকদের পাসপোর্ট নবায়ন ফি সৌদি আরবে ১২৫ রিয়াল।
দুতাবাস/কনস্যুলেট টিম বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শহরে কন্স্যুলার সেবা প্রদান করতে যায়। সেই সুযোগে অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট রিইস্যু করিয়ে নিন।

যাদের পাসপোর্টের মেয়াদ ১ বছরের কম তারা দ্রুত রিইস্যুর আবেদন করুন। কেননা পরবর্তীতে ছুটি অথবা আকামা রিনিউ কোনটাই হবে না.
জনস্বার্থেঃ প্রবাস পরবাস টিম
ছবিঃ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

আরও পড়ুন :মা-মেয়ের স্বামী একজনই, ভাগ করে নেন শয্যা

প্রাচীন এক জনগোষ্ঠী হলো মা’ণ্ডী সম্প্রদায়। সেই সম্প্রদায়েই এক চোখ কপালে ওঠার মতো খবর এসেছে সামনে। খবরটা হলো, মা ও মেয়ের একই স্বামী। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি। প্রাচীন এই জনগোষ্ঠীর বাস ভারত এবং বাংলাদেশ সীমান্তের পাহাড়ি অঞ্চলে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে এই দুই মা’ণ্ডী নারী এবং তাদের স্বামীর কথা।

মা ও মেয়ে দুজনেই এক স্বামীর স’ঙ্গে ভা’গ করে নেয় শ’য্যা।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ওই মায়ের নাম মিত্তামোনি। বয়স ৫১ বছর। মেয়ে ওরোলা দাবোত (৩০)। মা ও মেয়ের স্বামীর নাম নোতেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মধুপুরের এক প্রত্যন্ত মাণ্ডী গ্রামে বাস ওরোলা দাবোতের। কিশোরীবেলায় যেই সে স্বাদ পেল না’রীত্বের- অমনি তার সামনে প্রকাশিত হল এক ভয়’ঙ্ক’র সত্য। ওরোলার মা মিত্তামোনি তাকে জানালেন- যাকে এতদিন ওরোলা সৎ বাবা বলে জেনে এসেছে, সে আসলে তার স্বামী।

মাতৃতান্ত্রিক হলেও মা’ণ্ডী সমাজে প্রচলিত আছে এক অ’দ্ভূত রীতি। যদি কোনো বিধবা তরুণী বিয়ে করতে চান, তাহলে তাকে বিয়ে করতে হবে শ্বশুরবাড়ির গোষ্ঠী থেকেই। যেরকম হয়েছে মিত্তামোনির সঙ্গে। মাত্র ২০ বছর বয়সে স্বামীকে হা’রান তিনি। এদিকে শ্বশুরবাড়ির বংশে তখন বিয়ের যোগ্য পাত্র ছিল একজনই।

১৭ বছর বয়সী নোতেন। তাকে বিয়ে করলেন মি’ত্তামো’নি। কিন্তু মানতে হল শর্ত। সেটি হলো- মিত্তামোনির মেয়ে যখন পূর্ণ নারী হবে, তখন সে হবে নোতেনের দ্বিতীয় স্ত্রী। এটাই প্রচলিত রীতি। কারণ এমনটা না হলে বেশি বয়সী নারীদের বিয়ে করতে রাজি হয় না অল্পবয়সী পুরুষ।

তাইতো ওরোলা মায়ের কাছে জানতে পারেন- মাত্র তিন বছর বয়সে নাকি তার বিয়ে হয় নোতেনের সঙ্গে। এখন মা-মেয়ে দুই বৌয়ের সঙ্গে দিব্যি আছেন নোতেন। সংসারে বড় হচ্ছে মা মিত্তামোনি এবং মেয়ে ওরোলার সন্তানরা। সবার বাবা ওই একজনই- নোতেন। রীতির চাপে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন ওরোলা। মাণ্ডী সমাজে মেয়েরাই বেছে নেয় জীবনসঙ্গী।

প্রোপোজও তারাই করে। বিয়ের পরে শ্বশুরঘর করতে আসে স্বামী। এমনকী সম্প’ত্তির মালকিনও হয় মেয়েরাই। কিন্তু এসবের থেকে বঞ্চিত ওরোলা। মাঝখান থেকে ন’ষ্ট হয়ে গেছে মা-মেয়ের সম্প’র্ক। মিত্তামোনি এখন মা নন- ওরোলার সতীন। সূত্র : বিবিসি ও ইন্ডিয়া টুডে

About admin

Check Also

কিউয়ার ৯০ দিন পর কি কাফালা হওয়া যাবে❓৯০ দিন পর কি হবে।

কিউয়ার ৯০ দিন পর কি কাফালা হওয়া যাবে❓৯০ দিন পর কি হবে।বিস্তারিত জেনে নিন নিএর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *